আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি আরও শক্তিশালী হচ্ছে। এর প্রভাবে মৌসুমি বায়ু দেশের ওপর সক্রিয় রয়েছে, ফলে দেশের অধিকাংশ এলাকায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী দুই দিনে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে কোথাও কোথাও ভারী (৪৪-৮৮ মিলিমিটার) থেকে অতিভারি (৮৯ মিলিমিটার বা তার বেশি) বৃষ্টিপাত হতে পারে। একই সঙ্গে সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমে যেতে পারে, ফলে চলমান মৃদু তাপপ্রবাহ প্রশমিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
ভারী বৃষ্টির কারণে চট্টগ্রাম ও সিলেটের পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধস এবং নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতার আশঙ্কায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে পাহাড়ি ও উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
এদিকে, সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত এবং নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত মেনে চলতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়াবিদ ড. আবুল কালাম মল্লিক বলেন, লঘুচাপের প্রভাবে মৌসুমি বায়ু আরও সক্রিয় হওয়ায় আজ থেকেই দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টিপাত শুরু হতে পারে। তবে সিলেট, চট্টগ্রাম এবং উপকূলীয় অঞ্চলে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি।
কৃষি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই বৃষ্টিপাত আমন মৌসুমের বীজতলা প্রস্তুত ও ধান রোপণে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। সময়মতো বৃষ্টি হলে কৃষি উৎপাদনেও এর সুফল পাওয়া যাবে বলে তারা আশা করছেন।