রোববার (১২ জুলাই) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার ও তথ্য কেন্দ্রে প্রথমবারের মতো প্রতিষ্ঠিত ক্যারিয়ার কর্নার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
উপাচার্য জানান, শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার ও তথ্য কেন্দ্রকে আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তার ব্যক্তিগত অর্থায়নে প্রতিষ্ঠিত ক্যারিয়ার কর্নারে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার সর্বশেষ সহায়ক বই, সাময়িকী এবং ক্যারিয়ারবিষয়ক বিভিন্ন গাইডলাইন সংরক্ষণ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, “লাইব্রেরি শিক্ষার্থীতে পরিপূর্ণ থাকাই একজন উপাচার্যের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। শিক্ষার্থীদের লাইব্রেরিমুখী করতে আমরা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বাড়িয়েছি। শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে জব কর্নারের আদলে ক্যারিয়ার কর্নার চালু করা হয়েছে, যা চাকরিপ্রত্যাশী শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতিতে সহায়ক হবে।”
বিশ্বমানের একটি স্মার্ট লাইব্রেরি গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন উপাচার্য। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক মানের ই-জার্নাল ও ই-বুকের সাবস্ক্রিপশন যুক্ত করা হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা বিশ্বের সর্বশেষ গবেষণা সহজেই ব্যবহার করতে পারেন। পাশাপাশি রেফারেন্স বইয়ের সংখ্যা বৃদ্ধি, ডেডিকেটেড হাই-স্পিড ওয়াই-ফাই, কম্পিউটারসমৃদ্ধ আইটি জোন স্থাপন এবং লাইব্রেরির কার্যক্রম রাত ১০টা পর্যন্ত চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
অনুষ্ঠানে ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামানের সঞ্চালনায় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামান জানান, উপাচার্যের ব্যক্তিগত অর্থায়নে বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা উপকরণ বিতরণের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।