গত বুধবার উইচ্যাট মোমেন্টসে একটি ছবি প্রকাশ করেন তাং ওয়েই। ছবিতে পরিবারের সদস্যদের হাত এবং একটি খেলনা ঘোড়া দেখা যায়। পোস্টের ক্যাপশনে প্রথম কন্যা সামারের কথা উল্লেখ করে তিনি লেখেন, “এখন আমাদের চার সদস্যের পরিবারের নতুন যাত্রা শুরু হলো।”
তাং ওয়েইয়ের মুখপাত্রও জানিয়েছেন, এটি তাং ওয়েই ও দক্ষিণ কোরিয়ার চলচ্চিত্র পরিচালক কিম তে-ইয়ং দম্পতির দ্বিতীয় সন্তান। খবর প্রকাশের পর থেকেই চীন, দক্ষিণ কোরিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভক্তরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছেন।
এর আগে কয়েক মাস ধরেই তাং ওয়েইয়ের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার গুঞ্জন চলছিল। চলতি বছরের এপ্রিলে সাংহাইয়ে একটি বিলাসবহুল ব্র্যান্ডের অনুষ্ঠানে বেবি বাম্পসহ তাকে দেখা যায়। পরে স্বামী কিম তে-ইয়ং ও মেয়ে সামারের সঙ্গে পারিবারিক ছবি প্রকাশ করে দ্বিতীয় সন্তানের আগমনের খবর নিশ্চিত করেন তিনি। তখন তিনি লিখেছিলেন, “আমরা খুবই আনন্দিত। আমাদের পরিবারে নতুন একজন সদস্য যোগ দিতে যাচ্ছে।”
১৯৭৯ সালে চীনে জন্ম নেওয়া তাং ওয়েই অভিনয়ে অভিষেক করেন ২০০৪ সালে। তবে আন্তর্জাতিক পরিচিতি পান ২০১০ সালের ‘লেট অটাম’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে। এই ছবির শুটিংয়েই পরিচালক কিম তে-ইয়ংয়ের সঙ্গে তার পরিচয়, যা পরে প্রেম এবং ২০১৪ সালে বিয়েতে রূপ নেয়। ২০১৬ সালে জন্ম নেয় তাদের প্রথম কন্যাসন্তান সামার। প্রায় এক দশক পর এবার তাদের পরিবারে যোগ হলো দ্বিতীয় সন্তান।
তাং ওয়েই ‘লাস্ট, কশন’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনায় আসেন। একসময় ওই চলচ্চিত্রে সাহসী চরিত্রে অভিনয়ের কারণে চীনে বিতর্কেরও মুখে পড়তে হয়েছিল তাকে। তবে অভিনয়গুণে তিনি চীনের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্রাঙ্গনে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন।