মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বেলা ১১টায় সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।
তিনি বলেন, বুধবার সকাল ৯টায় আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে জাদুঘরের ফলক উন্মোচন করবেন। উদ্বোধনের পর তিনি জাদুঘরের বিভিন্ন গ্যালারি ঘুরে দেখবেন এবং সেখানে সংরক্ষিত নিদর্শন, আলোকচিত্র, দলিলপত্র ও স্মারক পরিদর্শনের মাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস সম্পর্কে অবহিত হবেন।
সংস্কৃতি মন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের এক ঐতিহাসিক অধ্যায় হিসেবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণ, সংগ্রামের প্রকৃত ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা এবং শহীদ ও জুলাই যোদ্ধাদের আত্মত্যাগকে স্মরণীয় করে রাখতেই এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
তিনি জানান, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বীরত্বগাথা ও আত্মত্যাগের স্মৃতিচারণ করবেন জুলাই যোদ্ধা এবং শহীদ পরিবারের সদস্যরা। এছাড়া গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাপ্রবাহ, সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ এবং বিজয়ের ইতিহাস তুলে ধরে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে।
অনুষ্ঠানের সাংস্কৃতিক পর্বে দেশের বিশিষ্ট শিল্পীদের অংশগ্রহণে দেশাত্মবোধক গান, আবৃত্তি ও অন্যান্য পরিবেশনার মাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা, দেশপ্রেম ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ তুলে ধরা হবে।
অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের মহাপরিচালক অতিথি, জুলাই যোদ্ধা, শহীদ পরিবারের সদস্য, গণমাধ্যমকর্মী ও সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রতিনিধি, কূটনীতিক, শিক্ষাবিদ, বুদ্ধিজীবী, সংস্কৃতিজন, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, জুলাই যোদ্ধা, শহীদ পরিবারের সদস্য এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত থাকবেন।
সংস্কৃতি মন্ত্রী আরও জানান, জাদুঘরে প্রবেশের জন্য অনলাইনের মাধ্যমে টিকিট সংগ্রহের ব্যবস্থা থাকবে। প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য টিকিটের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ টাকা এবং শিশুদের জন্য ২৫ টাকা।





