বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে জাদুঘরটির উদ্বোধন করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দেশের গণতন্ত্র, অধিকার ও জনগণের আকাঙ্ক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এই জাদুঘর শুধু ইতিহাস সংরক্ষণের স্থান নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য শিক্ষা, অনুপ্রেরণা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ চর্চার একটি কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে।
তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মত্যাগ, আহতদের সংগ্রাম এবং সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। এসব স্মৃতি সংরক্ষণের মাধ্যমে আগামী প্রজন্ম দেশের ইতিহাস সম্পর্কে সঠিক ধারণা লাভ করবে।
পরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাদুঘরের বিভিন্ন গ্যালারি পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা সংরক্ষিত আলোকচিত্র, দলিল, ভিডিওচিত্র এবং আন্দোলন-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্মারক ঘুরে দেখেন।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ পরিবারের সদস্য, আহত ব্যক্তি, শিক্ষার্থী, বিশিষ্ট নাগরিক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।