ইতোমধ্যে কয়েকজন ব্যবহারকারী এই পদ্ধতিতে সফলভাবে বিল পরিশোধ করেছেন বলেও জানা গেছে।
এর আগে বাংলাদেশে ফেসবুকের বিজ্ঞাপনের বিল দিতে আন্তর্জাতিক কার্ড, দ্বৈত মুদ্রা সুবিধা এবং বিভিন্ন ব্যাংকিং জটিলতার কারণে ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের নানা সমস্যায় পড়তে হতো। নতুন উদ্যোক্তাদের জন্যও এই প্রক্রিয়া ছিল ব্যয়বহুল ও জটিল। বিকাশ যুক্ত হওয়ায় স্থানীয় মুদ্রায় আরও সহজে বিজ্ঞাপনের বিল পরিশোধ করা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, মেটা সাধারণত নতুন বিল পরিশোধ সুবিধা ধাপে ধাপে পরীক্ষামূলকভাবে চালু করে। তাই এখনো এটি সব ব্যবহারকারীর কাছে দৃশ্যমান না হলেও পরীক্ষা সফল হলে পর্যায়ক্রমে সবার জন্য উন্মুক্ত করা হতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত মেটার পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। ফলে বিকাশের মাধ্যমে বিল পরিশোধের সুবিধা কবে সবার জন্য চালু হবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
তবুও পরীক্ষামূলকভাবে এই সুবিধা চালুর উদ্যোগকে বাংলাদেশের ই-কমার্স, এফ-কমার্স ও ডিজিটাল বিপণন খাতের উদ্যোক্তাদের জন্য ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক ঋণ বা ডেবিট কার্ডের ওপর নির্ভরতা অনেকটাই কমে যেতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।




