পোস্টে তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অর্থ লেনদেন, পদলোভ এবং আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সহায়তা করার অভিযোগ তোলেন। তিনি লেখেন, গত ছয় মাসে ঝালকাঠির বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের কিছু নেতাকর্মী আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের পাহারা দেওয়া, তাদের পক্ষে ওকালতি করা, তাদের বাড়িঘর ও ঠিকাদারি কাজ পাহারা দেওয়ার বিনিময়ে সুবিধা নিয়েছেন। এমনকি টাকার বিনিময়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিএনপিতে যোগদান করানোর অভিযোগও তিনি আনেন।
রফিকুল ইসলাম জামাল বলেন, ‘ঝালকাঠির বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের খাই খাই বন্ধ করার জন্য অনুরোধ করছি। ছয় মাসে অনেক খেয়েছেন। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের পাহারার বিনিময়ে খেয়েছেন, আওয়ামীদের পক্ষে ওকালতি করে খেয়েছেন, আওয়ামীদের বাড়িঘর পাহারা দিয়ে খেয়েছেন, ঠিকাদারি পাহারা দিয়ে খেয়েছেন। শেষ পর্যন্ত টাকার বিনিময়ে আওয়ামীদের দলে যোগদান করিয়েও খাচ্ছেন। মনে হয় দলটা খেয়ে ফেলবেন।’
তিনি আরও লেখেন, ‘লজ্জা থাকা উচিত। যাদের রক্তের বিনিময়ে আপনাদের এত খাওয়ার সুযোগ হয়েছে, সেই ৩৬ জুলাই শহীদদের জন্য ৫ আগস্ট একটু দোয়া-মোনাজাতও করতে পারেননি। শুধু নেতা হতে পদ চাই। খুব দ্রুতই দল থেকে ঝরে পড়বেন।’
বিষয়টি নিয়ে কালবেলার সাথে যোগাযোগ করলে এমপি রফিকুল ইসলাম জামাল নিশ্চিত করেছেন যে স্ট্যাটাসটি তাঁর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে পোস্ট করা হয়েছে।
