প্রতিবেদন অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, সাবেক সংসদ সদস্য এবং সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ পর্যায়ের অন্তত ৭০ জন নেতা অবস্থান করছেন। তাদের বেশির ভাগই কলকাতা ও আশপাশের এলাকায় থাকছেন। পাশাপাশি পুলিশের প্রায় ৪০ কর্মকর্তাও সেখানে অবস্থান করছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
একসময় সাবেক সংসদ সদস্য, সহযোগী সংগঠনের নেতা, পুলিশ ও সেনা কর্মকর্তাসহ প্রায় ২০০ জন আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কলকাতা ও আশপাশের এলাকায় অবস্থান করতেন। সময়ের সঙ্গে তাদের অনেকে অন্য দেশে চলে গেছেন।
আত্মীয়-স্বজনের সহায়তায় জীবনযাপন
ভারতে অবস্থানরত কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতা জানিয়েছেন, তারা এখন আত্মীয় ও বন্ধুদের সহায়তায় জীবনযাপন করছেন। তাদের অনেকেই আগের মতো আর্থিকভাবে স্বচ্ছল নন।
কেউ ভাড়া বাসায় একা থাকছেন, আবার কয়েকজন মিলে একটি বাসা ভাড়া নিয়ে থাকছেন। অনেকের পরিবারের সদস্যরা তাদের সঙ্গে নেই। নিরাপত্তা ও পরিচয় গোপন রাখার কারণে তাদের চলাফেরাতেও পরিবর্তন এসেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
কয়েকজন জানান, দেশে থাকার সময় ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার করলেও বর্তমানে তারা ট্যাক্সি ও গণপরিবহণ ব্যবহার করছেন।
গোপনে চলছে রাজনৈতিক যোগাযোগ
ভারতে অবস্থান করেও আওয়ামী লীগের অনেক নেতা রাজনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছেন বলে জানিয়েছেন। ফেসবুক, মেসেঞ্জার ও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে তারা বাংলাদেশের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন।
তাদের দাবি, দলীয় কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগের পাশাপাশি বিভিন্ন কমিটি পুনর্গঠন, মামলায় সহযোগিতা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণার কাজও তারা চালিয়ে যাচ্ছেন।
তবে ভারতে অবস্থানরত এসব নেতার সঠিক সংখ্যা, তাদের অবস্থান এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে স্বাধীনভাবে সব তথ্য যাচাই করা সম্ভব হয়নি বলে প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছে।



