এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, কক্সবাজার-২ আসনের সংসদ সদস্য আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ ফরিদ এবং কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
প্রধানমন্ত্রী প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন শেষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। সেখানে প্রকল্পের অগ্রগতি, বর্তমান অবস্থা ও অন্যান্য বিষয়ে আলোচনা হয়। পরে তিনি মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর এবং মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্পের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, এক দিনের এ সফরে প্রধানমন্ত্রী মহেশখালীতে মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর, কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প এবং মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম পরিদর্শন করবেন। পরে তিনি চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত এলাকায় গিয়ে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন কার্যক্রমে অংশ নেবেন।
সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে ঢাকার তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টার ছেড়ে প্রায় দেড় ঘণ্টা পর মাতারবাড়িতে পৌঁছায়। মহেশখালীর কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী বেলা সাড়ে ১২টায় বাহারছাড়া ইউনিয়নের পশ্চিম বাঁশখালী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে বন্যার্তদের পুনর্বাসন অনুষ্ঠানে যোগ দেন এবং নতুন ঘর হস্তান্তর করেন।
এরপর সড়কপথে ফটিকছড়ি যান তিনি। দুপুর ২টায় আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলম বাবুনগর মাদ্রাসায় আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। পরে হাটহাজারী যান; সেখানে বেলা সোয়া ৩টায় আল জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় আল্লামা শাহ আহমদ শফীর কবর জিয়ারত করেন। বিকেল ৫টায় হাটহাজারী সরকারি কলেজ মাঠে আরেকটি পুনর্বাসন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের ঘর হস্তান্তর করেন।
সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে চট্টগ্রামের রেডিসন ব্লু হোটেলে সাংগঠনিক সভায় যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। সব কর্মসূচি শেষে রাত সাড়ে ৯টায় চট্টগ্রামের হযরত শাহ আমানত বিমানবন্দর থেকে বিমানে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।
এক দিনের এই সফরে প্রধানমন্ত্রী দেশের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি ও বন্দর অবকাঠামো প্রকল্প পরিদর্শনের পাশাপাশি বন্যার্তদের পুনর্বাসন এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নেন।





