বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুর রহমান খান জানিয়েছেন, মরদেহ দেশে পৌঁছানোর পর প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টার দিকে ‘শিখা ইন’ হোটেলে ভয়াবহ আগুন লাগে। আগুনের সঙ্গে ঘন কালো ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ায় অনেকে ভবনের ভেতর আটকা পড়েন। এ ঘটনায় সাত বাংলাদেশি ও দুই ভারতীয়সহ মোট নয়জন নিহত হন। উদ্ধার করা হয় অন্তত ৬০ থেকে ৭০ জনকে।
নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে কুষ্টিয়ার একই পরিবারের চারজন রয়েছেন। তারা হলেন দেবাশীষ দত্ত, তার স্ত্রী আফসানা শারমীন, তিন বছরের ছেলে স্বর্ণশীষ দত্ত এবং দেবাশীষের শ্বশুর মো. আকরাম আলি। অন্য তিনজন হলেন সাভারের বাবু আহমেদ, সাতক্ষীরার রেবতী সরকার ও এস এম আলিমুজ্জামান।
ময়নাতদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ দেশে পাঠানো হচ্ছে। এ কাজে কলকাতার বাংলাদেশ উপ-দূতাবাস ও কলকাতা পুলিশ সমন্বয় করছে।
এদিকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কলকাতার নিউ মার্কেট থানায় মামলা হয়েছে। ঘটনার তদন্তে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগের উপ-কমিশনারের নেতৃত্বে বিশেষ তদন্তকারী দলও গঠন করা হয়েছে।




