শুক্রবার (৩ জুলাই) সকালে ধলাই নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয় দুই কিশোর নৌকায় করে সেটি তীরে নিয়ে আসে। পরে পুলিশ, বিজিবি ও স্থানীয় প্রশাসনের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ থানার হেফাজতে নেয়।
নিহত ডা. সুব্রত সাহা লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার বাসিন্দা ও মিহির লাল সাহার ছেলে। তিনি তিন বন্ধুকে নিয়ে ঢাকা থেকে সিলেটের বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্র ঘুরতে এসেছিলেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেলে সাদাপাথরের জিরো পয়েন্ট এলাকায় ধলাই নদীতে গোসল করতে নেমে তিনি নিখোঁজ হন। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, বিজিবি ক্যাম্পসংলগ্ন এলাকায় চার বন্ধু নদীতে নামলে প্রবল স্রোতে পড়ে যান তারা। দুজন তীরে উঠতে পারলেও সুব্রত সাহা স্রোতের টানে তলিয়ে যান এবং এরপর থেকে তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
ভোলাগঞ্জ ট্যুরিস্ট পুলিশের পরিদর্শক আব্দুল কাইয়ুম জানান, খবর পাওয়ার পরপরই উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল দীর্ঘ সময় চেষ্টা চালালেও তীব্র স্রোতের কারণে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হয়। পরে অন্ধকার নেমে আসায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে অভিযান স্থগিত করা হয়। শুক্রবার সকালে নদীতে মরদেহ ভেসে ওঠে।
মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এর মর্গে পাঠানো হয়েছে।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম খান বলেন, নিখোঁজ চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।