কারখানাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহবুবুল হাসান ফয়সাল কর্মীদের উদ্দেশে দেওয়া এক নোটিশে বলেন, প্রতিষ্ঠানটি টিকিয়ে রাখতে নানা চেষ্টা করেও শেষ পর্যন্ত সফল হতে পারেননি। ব্যবসায়িক মন্দার পাশাপাশি কিছু স্বার্থান্বেষী মহলের অপতৎপরতায় সংকট আরও গভীর হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
২০১২ সালে প্রতিষ্ঠিত কারখানাটিতে ১৫০টি মেশিন ছিল। এখানে মূলত টি-শার্ট ও ট্যাংক টপ তৈরি হতো। গত দুই বছর ধরে নানা প্রতিকূলতায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পর শেষ পর্যন্ত কারখানা বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এদিকে বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেছেন, ব্যাংকিং সংকট, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সমস্যা, ক্রয়াদেশ কমে যাওয়া, পণ্যের দরপতন এবং মজুরি বৃদ্ধির চাপের কারণে পোশাক খাতের অনেক প্রতিষ্ঠান টিকে থাকতে হিমশিম খাচ্ছে।
তার দাবি, গত দুই-তিন বছরে দেশে ৩০০টির বেশি পোশাক কারখানা বন্ধ হয়েছে। সংকট নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে সামনে আরও কারখানা বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।



