মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাতে আন্দা ফিলিপ প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, নিয়মিত জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রতি তার দৃঢ় অঙ্গীকারের বার্তা দেয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ সংগ্রামের পর দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। গণতন্ত্র ও জনগণের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষার পাশাপাশি কার্যকর সংসদীয় ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।
তিনি বলেন, গণতন্ত্র নিয়ে জনগণের প্রত্যাশা অনেক। একটি শক্তিশালী ও কার্যকর গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই দেশের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব।
আন্দা ফিলিপ জানান, তিনি বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার পড়েছেন এবং এতে শিক্ষা ও কমিউনিটিভিত্তিক বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করেন। বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের অগ্রগতির প্রশংসা করে তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা আরও বাড়বে।
আইপিইউ সেক্রেটারি বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময় ও সহযোগিতা আরও জোরদারের আগ্রহ প্রকাশ করেন। তানজানিয়ায় অনুষ্ঠেয় আইপিইউর ১৫৩তম সম্মেলনে বাংলাদেশের স্পিকারের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে দুই পক্ষের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
সাক্ষাতে নারী ও তরুণ সংসদ সদস্যদের অংশগ্রহণ এবং নারীর ক্ষমতায়ন নিয়েও আলোচনা হয়। আন্দা ফিলিপ তরুণ ও নারী সংসদ সদস্যদের উদ্যম ও আগ্রহের প্রশংসা করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। নারীদের জন্য অনার্স পর্যায় পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা, উপবৃত্তি এবং ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রকল্পের মাধ্যমে নারীদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
সাক্ষাতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-২ শামা ওবায়েদ উপস্থিত ছিলেন।




