সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ওয়াইসি দাবি করেন, ১৯১১ সাল পর্যন্ত পুরোনো নথিতে ওই স্থানে মসজিদের অস্তিত্বের প্রমাণ রয়েছে এবং সেখানে দীর্ঘদিন ধরে নামাজ আদায় হয়ে আসছে। শুধু আপত্তির কারণে মসজিদ বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দেওয়া যায় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মসজিদটি কালেক্টরেট প্রতিষ্ঠার আগেই নির্মিত হয়েছিল দাবি করে ওয়াইসি বলেন, দীর্ঘদিনের প্রকাশ্য ও ধারাবাহিক দখলকে সম্পত্তির আইনগত অবস্থান নির্ধারণে বিবেচনা করা উচিত।
এর আগে জেলা জজের আদালত মসজিদ কমিটির আপিল খারিজ করে সিটি ম্যাজিস্ট্রেটের মসজিদ অপসারণের আদেশ বহাল রাখেন। সরকারি জমিতে অবৈধ নির্মাণ ও দখলের অভিযোগে মসজিদ কমিটির ওপর প্রায় ৬ কোটি ৪১ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণও আরোপ করা হয়েছিল।
সাহারানপুরের পুলিশ জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত নিরাপত্তা মোতায়েন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। এ ঘটনায় সমাজবাদী পার্টি ও কংগ্রেসের নেতারাও মসজিদ ভাঙার সমালোচনা করেছেন।



