সকালে বিমানবন্দর পরিদর্শনের সময় দুপুর ১টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জেদ্দা–চট্টগ্রাম–ঢাকা রুটের একটি ফ্লাইট অবতরণ করে। মন্ত্রী ফ্লাইটটির কার্গো হোল্ড খোলা থেকে শুরু করে ব্যাগেজ হ্যান্ডলিং ও যাত্রীদের কাছে ব্যাগেজ হস্তান্তর পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়া সরেজমিনে তদারকি করেন।
মন্ত্রী বলেন, ব্যাগেজ ব্যবস্থাপনায় সময় কমিয়ে আনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য উড়োজাহাজ অবতরণের পর যাত্রী গেট ও কার্গো হোল্ড খোলার সময়ের মধ্যে সমন্বয় নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন তিনি। পাশাপাশি ফ্লাইট অবতরণের আগেই গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে নিয়োজিত কর্মীদের পরিকল্পিতভাবে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে বলেন।
ব্যাগেজ হ্যান্ডলিংয়ের অগ্রগতি সম্পর্কে যাত্রীদের তাৎক্ষণিক তথ্য দিতে বিমানবন্দরে লাইভ মনিটরিং স্ক্রিন স্থাপনের নির্দেশনাও দেন বিমানমন্ত্রী। একই সঙ্গে বিমানবন্দরের বিভিন্ন ওয়াশরুম পরিদর্শন করে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও নিবিড়ভাবে তদারকির নির্দেশ দেন।
পরিদর্শনকালে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাইজার সোহেল আহমেদ, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিকসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সরকার বিমানবন্দরে যাত্রী হয়রানি বন্ধে শূন্য সহনশীলতার নীতি গ্রহণ করেছে। এর অংশ হিসেবে ব্যাগেজ ব্যবস্থাপনায় সরাসরি তদারকি ও সময় কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।




