রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠে নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। জাতীয় স্বার্থে বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে সমৃদ্ধ, নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
রাষ্ট্রপতি দেশের উন্নয়ন, শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন। একই সঙ্গে তরুণ প্রজন্মকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান।
এর আগে ঠাকুরগাঁওয়ে পৌঁছে রাষ্ট্রপতি সার্কিট হাউসে গার্ড অব অনার গ্রহণ করেন। পরে সেনুয়া কবরস্থানে মা-বাবার কবর জিয়ারত করে কালিবাড়ি এলাকায় নিজ বাড়িতে যান। দুপুরের খাবার ও বিশ্রাম শেষে বিকেলে নাগরিক সংবর্ধনায় যোগ দেন তিনি।
সংবর্ধনা শেষে রাষ্ট্রপতির নিজ বাসভবনে গণ্যমান্য ব্যক্তি, আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয়দের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের কথা রয়েছে। দুই দিনের সফরের দ্বিতীয় দিন সোমবার ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।
রাষ্ট্রপতির সফরকে কেন্দ্র করে ঠাকুরগাঁওয়ে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, অনুষ্ঠানস্থল, যাতায়াতের সড়ক ও আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।




