বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, দুর্নীতির অনুসন্ধানের নামে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হয়রানি, ভয় দেখানো এবং গণমাধ্যমে বিচার করার উদ্দেশ্যেই তার বিরুদ্ধে এ অনুসন্ধান শুরু করা হয়েছে।
আসিফ মাহমুদ বলেন, দুদকের মুখপাত্রের বক্তব্যের পর তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের খবর বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়, এতে তার মানহানি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তিনি আইনি প্রক্রিয়ায় যাওয়ার কথা জানিয়েছিলেন এবং ইতোমধ্যে আইনি পদক্ষেপ শুরু হয়েছে বলেও জানান।
তিনি দাবি করেন, যে ঘটনা নিয়ে অনুসন্ধান করা হচ্ছে, সেটি বিএনপি সরকারের সময়ে ঘটেছে। ওই সরকার ক্ষমতায় আসার দুই মাসেরও বেশি সময় আগে তিনি পদত্যাগ করেছিলেন। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তিনি ২০২৫ সালের ১০ ডিসেম্বর পদত্যাগপত্র দেন এবং ১১ ডিসেম্বর তা গৃহীত হয়।
দুদকের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলে আসিফ মাহমুদ অভিযোগ করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর দুদক সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হলেও পরবর্তী সময়ে তা বাতিল করে নতুনভাবে কমিশন গঠন করা হয়েছে। তার দাবি, বর্তমান অনুসন্ধান রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং তাকে হয়রানির লক্ষ্যেই শুরু করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নির্দিষ্ট ঘটনাটি নিয়ে অনুসন্ধান করতে হলে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের ভূমিকা বিবেচনায় নেওয়া উচিত। তার মতে, পদোন্নতি ও সংশ্লিষ্ট ঘটনার তারিখগুলো যাচাই করলেই তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের যৌক্তিকতা নেই বলে প্রমাণিত হবে।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে পদায়ন ও বদলি-সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগ এবং এ বিষয়ে দুদকের মুখপাত্রের বক্তব্যের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনটি আয়োজন করা হয়।




