বৃহস্পতিবার ঢাকার ধানমণ্ডিতে এক সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের তিনি জানান, ইতোমধ্যে অধিকাংশ টিকা ইউনিসেফের মাধ্যমে দেশে পৌঁছেছে। অবশিষ্ট টিকাও ১৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দেশে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আগের টিকাদান কর্মসূচির পরও সংক্রমণ অব্যাহত থাকায় সরকার অতিরিক্ত টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করে। এর আওতায় নতুন করে ১৪ লাখ শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হয়েছে।
তিনি দাবি করেন, আগের সরকার দেশে কোনো টিকা রেখে যায়নি। এরপর বর্তমান সরকার ২১ দিনের মধ্যে ১ কোটি ৮৫ লাখ শিশুর জন্য টিকা সংগ্রহ করে টিকাদান কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে।
ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়েও স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ঢাকার হাসপাতালগুলোর ওপর চাপ কমাতে প্রান্তিক পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাসেবা জোরদার করা হয়েছে। প্রতিটি হাসপাতালে আইসোলেশন শয্যা প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং মোবাইল হাসপাতালের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
উপজেলা পর্যায়েই রোগীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করতে চিকিৎসকদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি। জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে বলে উল্লেখ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।




