১৪ সেপ্টেম্বর দেওয়া বিবৃতিতে তিনি বলেন, গণতন্ত্র শুধু সরকার গঠনের প্রক্রিয়া নয়; এটি মানুষের মৌলিক অধিকার, সামাজিক ন্যায়বিচার, বাকস্বাধীনতা ও আইনের শাসনের ভিত্তি। গণতন্ত্র সুরক্ষিত থাকলে সমাজ স্বৈরাচার, শোষণ ও বৈষম্য থেকে মুক্ত হয়ে অগ্রগতির পথে এগিয়ে যেতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বিবৃতিতে আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, বিগত সরকার জনগণকে ভোটাধিকার, ন্যায়বিচার ও মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে। ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে তিনি দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার একটি ঐতিহাসিক সুযোগ হিসেবে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে বিএনপি নির্বাচনের আগে গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক করার প্রতিশ্রুতি দিলেও ক্ষমতায় এসে তা ভুলে গেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি বলেন, জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে বৈষম্যমুক্ত ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, তা ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না। গণতন্ত্রের পাশাপাশি ইনসাফ, সততা ও মানবিক মূল্যবোধনির্ভর সমাজ প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
জামায়াতে ইসলামীর অবস্থান তুলে ধরে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সমতা, আইনের শাসন, নাগরিক অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠায় দলটি কাজ করে যাচ্ছে। গুম, খুন ও ক্রসফায়ারের মতো ঘটনার পুনরাবৃত্তি বন্ধের আহ্বান জানান তিনি।
এ ছাড়া গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, প্রশাসনকে দলীয় প্রভাবমুক্ত করা এবং ঘুষ-দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বমুক্ত রাষ্ট্র গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
বিবৃতির শেষাংশে বৈষম্যমুক্ত মানবিক বাংলাদেশ গড়তে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা পালনের জন্য দেশের জনগণের প্রতি আহ্বান জানান জামায়াতের আমীর।




