বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে নিহতের পরিবারের সদস্যরা সাক্ষাৎ করতে গেলে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের এ নির্দেশ দেন মন্ত্রী। একই সঙ্গে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে পরিবারটিকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।
মন্ত্রী জানান, নিহতের পরিবারকে পুলিশ অধিদপ্তরের কল্যাণ তহবিল থেকে ইতোমধ্যে ৬ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। পারিবারিক ব্যবসা সচল রাখতে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড থেকে প্রয়োজনীয় ঋণ ও সহায়তার ব্যবস্থার কথাও জানান তিনি। এছাড়া আলতাফ হোসেনকে মরণোত্তর ‘পুলিশ পদক (পিপিএম)’ দেওয়ার উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।
গত ৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সাভারের আমিনবাজারের বরদেশী পশ্চিমপাড়ায় অটোরিকশা রাখা নিয়ে বিরোধ মেটাতে গিয়ে হামলার শিকার হন এসআই আলতাফ। পরে বড় ছেলের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে আশ্রয় নিলে সেখানে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়। তাকে বাঁচাতে গিয়ে ছোট ছেলে আরিফুল ইসলামও গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয়রা দুজনকে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক আলতাফ হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় তার স্ত্রী শিউলী পারভীন বাদী হয়ে ১৫ জনকে আসামি করে সাভার মডেল থানায় হত্যা মামলা করেছেন।
১৯৮৬ সালে কনস্টেবল হিসেবে পুলিশে যোগ দেন আলতাফ হোসেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে ডিএমপি, রাঙামাটি, আরআরএফ রাজশাহী, আরএমপি ও বরিশালে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১১ সাল থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি এসবিতে কর্মরত ছিলেন।




