মঙ্গলবার ইতালির রোমে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) প্লেনারি হলে ‘ওয়ান হেলথ ফর এ বেটার লাইফ’ শীর্ষক অধিবেশনে মূল বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
মন্ত্রী বলেন, মানুষ ও প্রাণীর স্বাস্থ্য, পরিবেশ ও প্রতিবেশ পরস্পরের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশের অবক্ষয় ও জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি নতুন স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে। তাই স্বাস্থ্য নিরাপত্তা, খাদ্যনিরাপত্তা, পরিবেশগত স্থায়িত্ব ও টেকসই জীবিকাকে সমন্বিতভাবে বিবেচনা করতে হবে।
বাংলাদেশের উদ্যোগ তুলে ধরে তিনি জানান, ২০১২ সালের জাতীয় ওয়ান হেলথ কৌশলগত কাঠামোর ধারাবাহিকতায় ২০২৫-২০৩০ মেয়াদের তৃতীয় ওয়ান হেলথ কৌশলগত কাঠামো প্রণয়ন করা হয়েছে। আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় ও তথ্য বিনিময়ে ওয়ান হেলথ সেক্রেটারিয়েট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা ও কোভিড-১৯ মহামারির অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে মন্ত্রী সমন্বিত নজরদারি, আগাম সতর্কতা, জৈবনিরাপত্তা, পরীক্ষাগার সক্ষমতা এবং রোগের পরিবেশগত ও আর্থসামাজিক কারণ চিহ্নিত করার ওপর গুরুত্ব দেন।
তিনি জলবায়ু অভিযোজন, দুর্যোগ প্রস্তুতি, প্রতিবেশ পুনরুদ্ধার ও প্রকৃতিনির্ভর সমাধানকে ওয়ান হেলথ কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি জাতীয় সক্ষমতা বৃদ্ধি, আঞ্চলিক সহযোগিতা ও আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অধিবেশনে বিভিন্ন দেশের মন্ত্রী, সরকারি প্রতিনিধি, বিশেষজ্ঞ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এ সময় ইতালিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এ. টি. এম রকিবুল হকসহ বাংলাদেশের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।




