২৭ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়া এ জরিপ চলবে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত। ডিএসসিসির ৭৫টি ওয়ার্ডের প্রতিটিতে দৈবচয়নের ভিত্তিতে ৩০টি করে মোট ২ হাজার ২৫০টি বাড়ি থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
ডিএসসিসি ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার ৭২ জন মাঠকর্মী জরিপে অংশ নিচ্ছেন। তথ্য সংগ্রহে ব্যবহার করা হচ্ছে ‘কোবো টুলবক্স’ অ্যাপ। জরিপ শেষে ব্রেটু ইনডেক্স (BI), হাউস ইনডেক্স (HI), কনটেইনার ইনডেক্স (CI) ও পিউপা ইনডেক্স (PI) নির্ধারণ করা হবে।
ব্রেটু ইনডেক্সের ভিত্তিতে এলাকাগুলোকে ঝুঁকিপূর্ণ, মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ ও সাধারণ ঝুঁকির হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। জরিপে চিহ্নিত হটস্পটগুলোতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, লার্ভিসাইড প্রয়োগ ও বিশেষ ক্র্যাশ প্রোগ্রাম জোরদার করা হবে।
জরিপের উদ্বোধন করে ডিএসসিসির প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বলেন, বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে এডিসের প্রজননস্থল ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। এ কাজে নগরবাসীর সহযোগিতারও আহ্বান জানান তিনি।
এর আগে বর্ষাপূর্ব জরিপে ডিএসসিসির ৬৩টি ওয়ার্ডে লার্ভার ঘনত্ব নির্ধারিত সূচকের চেয়ে বেশি পাওয়া যায় এবং ২৭টি ওয়ার্ডকে অতি ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়েছিল। ওই জরিপের ভিত্তিতে এসব এলাকায় ক্র্যাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা করা হয়।




