মঙ্গলবার ঢাকার একটি হোটেলে ‘বিশ্ব হার্ট দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে বাংলাদেশ কার্ডিয়াক সোসাইটি আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, হৃদরোগের কোনো সতর্কসংকেত বা উপসর্গ উপেক্ষা করা যাবে না। অসংক্রামক রোগগুলোর মধ্যে হৃদরোগে মৃত্যুর হার বেশি হওয়ায় এর প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতার বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, মানুষ হৃদরোগ সম্পর্কে সচেতন হলেও অনেক সময় সেই সচেতনতা বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করে না। হৃদরোগের ক্ষেত্রে এ ধরনের অবহেলা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
চিকিৎসকদের প্রশংসা করে সরদার সাখাওয়াত হোসেন বলেন, করোনাভাইরাস মহামারি, ডেঙ্গু ও বিভিন্ন দুর্যোগে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা নিজেদের নিরাপত্তার কথা না ভেবে মানুষের সেবা করেছেন। তাদের এই দায়িত্ববোধ অনুকরণীয়।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল হাসান, প্রধানমন্ত্রীর সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদিরসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ কার্ডিয়াক সোসাইটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সফিউদ্দিন।
এর আগে মন্ত্রী বিএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল প্রাঙ্গণে বেলুন উড়িয়ে বিশ্ব হার্ট দিবসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন এবং আয়োজিত র্যালিতে অংশ নেন।




