প্রতিবেদন অনুযায়ী, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে মেঘনা ব্যাংক আশিকুর রহমান এবং মিডল্যান্ড ব্যাংক কাজী জাফরউল্লাহর প্রভাবাধীন ছিল। সরকার পতনের পর দুই ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে পরিবর্তন আসে। ২০২৫ সালের ১৬ মার্চ উজমা চৌধুরী মেঘনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হন। একই বছরের ২০ মার্চ মিডল্যান্ড ব্যাংকের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন আহসান খান চৌধুরী।
মেঘনা ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, উজমা চৌধুরী চেয়ারম্যান হওয়ার আগে ব্যাংকটির খেলাপি ঋণ ছিল ২৫৫ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৩ দশমিক ৭৮ শতাংশ। চলতি বছরের জুন শেষে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৩৩ কোটি টাকায়, যা মোট ঋণের ৫ দশমিক ৬০ শতাংশ।
অন্যদিকে, আহসান খান চৌধুরী চেয়ারম্যান হওয়ার আগে মিডল্যান্ড ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ছিল ২৩৯ কোটি টাকা বা মোট ঋণের ৩ দশমিক ৭৮ শতাংশ। চলতি বছরের জুন শেষে খেলাপি ঋণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪১২ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৫ দশমিক ৬৭ শতাংশ।
এ বিষয়ে মেঘনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান উজমা চৌধুরী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মিজানুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। একইভাবে মিডল্যান্ড ব্যাংকের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইমতিয়াজ ইউ আহমেদের সঙ্গেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
ব্যাংকসংশ্লিষ্টদের দাবি, একই পরিবারের দুই ভাই-বোনের দুটি তফসিলি বাণিজ্যিক ব্যাংকের চেয়ারম্যান হওয়ার ঘটনা দেশে নজিরবিহীন। তাদের মতে, পারিবারিক প্রভাবাধীন ব্যাংকগুলোতে খেলাপি ঋণ বাড়ার ঝুঁকি রয়েছে।




