সোমবার গাজীপুর মহানগর পুলিশের সদর দপ্তরে সংবাদ ব্রিফিংয়ে পুলিশ কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, গত ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকা জেলা জজ আদালত থেকে আসামিদের কাশিমপুর কারাগারে নেওয়ার পথে তাঁতীবাজার এলাকায় প্রিজন ভ্যান থামানো হয়। সেখানে স্কট পার্টির ইনচার্জ এসআই প্রবীর কুমার ভ্যানের চাবি নিয়ে পিচ্চি রাজা ও হাজতি আসামি খাইরুল বাশারকে বের করে ভ্যানের সামনের দিকে নিয়ে যান। এরপর পিচ্চি রাজা ও এসআই প্রবীর আর ভ্যানে ওঠেননি। অপেক্ষমাণ একটি প্রাইভেটকারে করে পিচ্চি রাজা সেখান থেকে পালিয়ে যান।
পুলিশ কমিশনারের দাবি, পরে এসআই প্রবীর রাত সাড়ে আটটার দিকে গাজীপুরের বাইমাইল এলাকায় গিয়ে প্রিজন ভ্যানে ওঠেন এবং সেখানেই পিচ্চি রাজা পালানোর ঘটনা ঘটেছে—এমন একটি সাজানো পরিস্থিতি তৈরি করা হয়। এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে আগে পাঁচ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল।
তদন্তে পাওয়া সাক্ষ্যপ্রমাণ ও আলামতের ভিত্তিতে পিচ্চি রাজার বোন তাসলিমা, এসআই প্রবীর কুমার ও নায়েক কামাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কামালের বাড়ি থেকে ৬০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানান পুলিশ কমিশনার।
পিচ্চি রাজা ও ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।




