আন্তর্জাতিক সিসা বিষক্রিয়া প্রতিরোধ সপ্তাহ উপলক্ষে ‘সিসামুক্ত বাংলাদেশের পথে অগ্রযাত্রা’ শীর্ষক এই সেমিনারের আয়োজন করে পিওর আর্থ বাংলাদেশ। অনুষ্ঠানে মন্ত্রী জানান, গত ১৭ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভায় সিসামুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণের এই কর্মপরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়। এটি বাস্তবায়নে উন্নয়ন সহযোগী ও বেসরকারি খাতকে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি সিসা-অ্যাসিড ব্যাটারি শিল্পের দূষণ রোধে ‘এক্সটেন্ডেড প্রডিউসার রেসপনসিবিলিটি (ইপিআর)’ কাঠামো প্রণয়নের কাজ চলমান বলেও উল্লেখ করেন পরিবেশমন্ত্রী।
তরুণ সমাজের অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রী বলেন, সিসা দূষণ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও উদ্ভাবনী সমাধান বাস্তবায়নে তরুণদের আরও সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত করতে হবে। এদিন সেমিনারে ‘সিসামুক্ত বাংলাদেশের জন্য জাতীয় যুব জোট’ আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয় এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের সক্ষমতা বাড়াতে দুটি বহনযোগ্য এক্স-রে ফ্লুরোসেন্স (এক্সআরএফ) যন্ত্র হস্তান্তর করা হয়। পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. কাজী আহমেদ জাকী, পরিবেশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মোহাম্মদ সোলায়মান হায়দার এবং পিওর আর্থ বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর মিতালী দাসসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।


