বৈঠকে বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের সঙ্গে পাকিস্তানের শিয়ালকোটের খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠানের যৌথ উদ্যোগে ক্রীড়াসামগ্রী উৎপাদনের কারখানা প্রতিষ্ঠার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করা হয়। পাশাপাশি সরকারি কর্মকর্তাদের দক্ষতা বাড়াতে বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (বিপিএটিসি) ও সিভিল সার্ভিস প্রশাসন একাডেমির সঙ্গে পাকিস্তানের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরে আগ্রহ দেখায় পাকিস্তান। হাইকমিশনার জানান, ইতোমধ্যে ১২ জন বাংলাদেশি কর্মকর্তা পাকিস্তানে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং আরও ৩৫ জনের প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিষয়ে হাইকমিশনার জানান, পাকিস্তান বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর ১০ হাজার মেট্রিক টন চা শুল্কমুক্ত আমদানির কোটা রেখেছে। এছাড়াও বাংলাদেশ থেকে আনারস ও চিংড়ি রপ্তানির সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়। চিকিৎসা খাতে সহযোগিতার অংশ হিসেবে পাকিস্তানের একটি হাসপাতালে প্রতিবছর ১০ জন বাংলাদেশি রোগীর বিনামূল্যে লিভার প্রতিস্থাপন এবং বাংলাদেশি চিকিৎসক ও নার্সদের এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়ার প্রস্তাব দেন তিনি। ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট চালুর মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক আরও গতিশীল হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন উভয় পক্ষ।


