মন্ত্রী জানান, সয়াবিন তেলে বিষাক্ত ধাতুর উপস্থিতি নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর বিএসটিআই খোলাবাজার থেকে ১৯৩টি নমুনা সংগ্রহ করে নিজস্ব ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করেছে। তবে কোনো নমুনাতেই ভারী ধাতুর অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। এ সময় ভেজাল ও নিম্নমানের পণ্য উৎপাদন বন্ধে বিএসটিআইয়ের নজরদারি, জনবল বৃদ্ধি ও দেশজুড়ে তদারকি বাড়ানোর কথা উল্লেখ করেন তিনি।
সভায় বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক কাজী ইমদাদুল হক নকল ও ভেজাল রোধে পৃথক গোয়েন্দা ইউনিটের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ডের (বিএবি) পক্ষ থেকে বিএসটিআইকে হালাল সার্টিফিকেশন অ্যাক্রেডিটেশন সনদ প্রদান করা হয়। সভায় শিল্পসচিব আব্দুন নাসের খানসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।


