বৈঠকে খাদ্যমন্ত্রী আমদানিকৃত চাল ও গমের গুণগত মান পরীক্ষার সক্ষমতা বাড়াতে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরে মার্কিন কারিগরি সহায়তা ও বিশেষজ্ঞ পাঠানোর অনুরোধ জানান। এ ছাড়া বাংলাদেশের আবহাওয়ার প্রেক্ষাপটে দীর্ঘমেয়াদে খাদ্যশস্য সংরক্ষণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের আধুনিক প্রযুক্তি ও বিশেষজ্ঞদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর বিষয়েও আলোচনা করেন তিনি।
জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে কারিগরি সহায়তার বিষয়টি বিবেচনা করার আশ্বাস দেন। বৈঠকে চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে গম আমদানি সম্পন্ন হওয়ায় উভয় পক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করে। এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাগ্রিকালচারাল অ্যাটাশে এরিন কোভার্ট, খাদ্যসচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা এবং খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মু. জসীম উদ্দিন খানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


