প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী এক দশকেরও কম সময়ের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে কমতে শুরু করবে। ২০৪৯ সালের মধ্যে এ অঞ্চল এবং ২০৫১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রবীণ জনগোষ্ঠীপ্রধান দেশে পরিণত হবে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে কর্মসংস্থানের ঘাটতিকে বড় বাধা হিসেবে চিহ্নিত করেছে সংস্থাটি। দেশের প্রায় ৮৪ শতাংশ কর্মী অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রিধারীদের ৪৪ শতাংশই অপ্রাতিষ্ঠানিক কাজে যুক্ত। পাশাপাশি প্রবীণদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক নিরাপত্তাব্যবস্থাও অপর্যাপ্ত।
বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানের কান্ট্রি ডিরেক্টর জিন পেসমে বলেন, জনমিতিক সুযোগ কাজে লাগানো নির্ভর করছে এখন নেওয়া পদক্ষেপের ওপর। মানসম্মত কর্মসংস্থান সৃষ্টি, তরুণদের দক্ষ করে তোলা এবং নারীদের কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের বাধা দূর করতে হবে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় উৎপাদনশীল কর্মসংস্থান বাড়ানো, শিক্ষা ও দক্ষতার মান উন্নয়ন এবং প্রবীণদের জন্য কার্যকর পেনশন ও স্বাস্থ্যসেবা গড়ে তোলার পরামর্শ দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।


