বৈঠকে সিঙ্গাপুর পোর্ট অথরিটির (পিএসএ) মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দরের বে টার্মিনালে প্রায় ৮০০ মিলিয়ন থেকে ১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন হাইকমিশনার। তিনি জানান, এটি চালু হলে বাংলাদেশের শিপিং খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে এবং তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিকদের কল্যাণে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। পাশাপাশি, বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি দ্রুত বাস্তবায়নের বিষয়ে মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডিজিটাল জালিয়াতি প্রতিরোধ ও সাইবার নিরাপত্তায় বাংলাদেশ পুলিশের জন্য সিঙ্গাপুরের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা বিনিময়ের অনুরোধ জানান। এর প্রেক্ষিতে সিঙ্গাপুর প্রতিনিধি দল সাইবার তদন্ত ও প্রশিক্ষণে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেয়। এছাড়া, বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তা ও তরুণ সংসদ সদস্যদের সিঙ্গাপুরে অভিজ্ঞতা বিনিময় ও প্রশিক্ষণের প্রস্তাব দেন হাইকমিশনার।


