বৈঠকে হাইকমিশনার জানান, বে টার্মিনাল প্রকল্পে বিনিয়োগ ও পরিচালনার বিষয়ে পিএসএ ইন্টারন্যাশনাল প্রস্তুত রয়েছে। এটি চালু হলে বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি পণ্য পরিবহনের ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে। অন্যদিকে, নৌপরিবহন মন্ত্রী বে টার্মিনালকে সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার প্রকল্প হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এটি বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের অবস্থান সুদৃঢ় হবে। বন্দর ও সামুদ্রিক খাতের উন্নয়নে তিনি সিঙ্গাপুরের অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তি ও বিনিয়োগের ওপরও জোর দেন।
এ সময় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খান এনডিসি এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


