বৈঠকে খাদ্যমন্ত্রী দীর্ঘমেয়াদে খাদ্যশস্য সংরক্ষণের ঝুঁকি এড়াতে আধুনিক প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক কারিগরি জ্ঞান বিনিময়ের জন্য এফএও-এর প্রতি অনুরোধ জানান। এ ছাড়া ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার জন্য নিরাপদ খাদ্যের জোগান নিশ্চিতকরণ এবং ফর্টিফায়েড চালের পুষ্টিগত কার্যকারিতা নিয়ে গবেষণায় সংস্থাটির সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন তিনি। নারী ও শিশুকেন্দ্রিক বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণের ওপরও জোর দেন মন্ত্রী।
জবাবে এফএও-এর বাংলাদেশ প্রতিনিধি জিয়াওকুন শি জানান, বাংলাদেশের খাদ্যনিরাপত্তা ও পুষ্টিকর খাদ্যপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে তারা নিবিড়ভাবে কাজ করতে আগ্রহী। এ সময় এফএও-এর সহকারী প্রতিনিধি (প্রোগ্রাম) ইমানুন নবী খান, খাদ্যসচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা, খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জসিম উদ্দিন খান এবং খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ ইউনিটের (এফপিএমইউ) মহাপরিচালক মো. মাহবুবুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


