বৈঠকে জানানো হয়, দ্বিতীয় পদ্মা ও দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা (ফিজিবিলিটি স্টাডি) আগামী বছরের সেপ্টেম্বরের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। সমীক্ষা প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মেগাপ্রকল্প দুটির চূড়ান্ত অবস্থান, নকশা ও ব্যয়ের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ওয়াই-আকৃতির দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মিত হলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল এবং মোংলা, বেনাপোল ও দর্শনা স্থলবন্দরের সঙ্গে একটি শক্তিশালী বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে। অন্যদিকে, দ্বিতীয় যমুনা সেতু রংপুরসহ উত্তরাঞ্চলের সার্বিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের উন্নয়ন ঘটাবে।
পাশাপাশি শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট মোকাবিলা, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প নিয়ে বৈঠকে বিশদ আলোচনা হয়। এ ছাড়া প্রকল্পগুলোর অর্থায়ন, ভূমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে আন্তঃসমন্বয় জোরদার করার তাগিদ দেওয়া হয়। বৈঠকে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রতিমন্ত্রী, সচিব এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


