প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সফরসূচি অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় হেলিকপ্টারে মোংলা বন্দরে পৌঁছাবেন তিনি। সেখানে ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ ও চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিআরসিসি) মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি। সকাল সাড়ে ১০টায় মোংলা বন্দর সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় দুটি কনটেইনার জেটি নির্মাণসহ উন্নয়ন কার্যক্রমের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী।
এরপর বেলা ১১টা ১৫ মিনিটে সড়কপথে হযরত খানজাহান আলী (রহ.)-এর মাজারের উদ্দেশে রওনা হবেন তিনি। পথে কাটাখালী মোড়ে নেতাকর্মীদের সমাবেশে বক্তব্য রাখার কথা রয়েছে। দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে মাজার জিয়ারত শেষে বেলা ১টা ১৫ মিনিটে খুলনার উদ্দেশে বাগেরহাট ত্যাগ করবেন তিনি।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, এই সফরে জেলার দীর্ঘদিনের উন্নয়নবঞ্চনা দূর হবে। তারা ২৫০ শয্যার হাসপাতালের সেবার মান উন্নয়ন, রাস্তাঘাট সংস্কার, নদীভাঙন রোধ, মোংলা বন্দরের পূর্ণাঙ্গ আধুনিকায়ন, পর্যটনের বিকাশ ও সুন্দরবনকেন্দ্রিক কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দৃষ্টি কামনা করেছেন।
জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সুজন মোল্লা বলেন, ২২ বছর আগে খানজাহান আলী কলেজ মাঠে তৃণমূল প্রতিনিধি সম্মেলনে তারেক রহমানের কাছাকাছি যাওয়ার সুযোগ হয়েছিল, দীর্ঘদিন পর আবার তার আগমন আনন্দের। জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ মো. জাকির হোসেন ও জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আতিকুর রহমান রাসেল জানান, সফর সফল করতে নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিয়েছেন।



