এ ব্যাপারে হিন্দুস্তান টাইমসের সঙ্গে কথা বলেছেন ব্যাঙ্গালুরুর মনিপাল হসপিটালের ইন্টারনাল মেডিসিনের কনসালটেন্ট ডা. নেথ্রা এন। তিনি জানিয়েছেন, সাদা রুটির তুলনায় বাদামি রুটিকে বেশি স্বাস্থ্যকর মনে করা হলেও তা সবসময় সত্য নয়। রুটির পুষ্টিগুণ রঙের ওপর নির্ভর করে না; নির্ভর করে কোন ধরনের আটা বা ময়দা ব্যবহার করা হয়েছে, প্রক্রিয়াজাতকরণ কেমন এবং কী কী উপাদান মেশানো হয়েছে তার ওপর।
তিনি বলেন, গোটা গমের আটার রুটি স্বাস্থ্যকর পছন্দ, কারণ এতে গমের তুষ, ভ্রূণ ও শাঁস বজায় থাকে। ফলে এটি ফাইবার, ভিটামিন বি ও খনিজের ভালো উৎস। ফাইবার হজম ভালো রাখে, দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে এবং রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
তবে ডা. নেথ্রা জানিয়েছেন, বাজারের অনেক বাদামি রুটি মূলত পরিশোধিত ময়দা দিয়ে তৈরি; বাদামি রঙ আনতে ক্যারামেল বা গুড়ের মতো উপাদান ব্যবহার করা হয়। এসব রুটি দেখতে স্বাস্থ্যকর মনে হলেও পুষ্টিমান সাদা রুটির মতোই হতে পারে, ক্ষেত্রবিশেষে অতিরিক্ত চিনি, লবণ বা চর্বিও থাকতে পারে।
পরামর্শ হিসেবে তিনি বলেন, রুটি কেনার সময় রঙ বা বিজ্ঞাপন না দেখে উপকরণের তালিকা দেখুন; ‘হোল হুইট ফ্লাওয়ার’ বা ‘হোল গ্রেইন ফ্লাওয়ার’ লেখা থাকলে তবেই কিনুন। ‘মাল্টিগ্রেন’ বা ‘ব্রাউন’ মানেই পণ্যটি শতভাগ পূর্ণ শস্যের তৈরি নয়। ফাইবার, অতিরিক্ত চিনি ও সোডিয়ামের পরিমাণ তুলনা করে পণ্য নির্বাচন করুন।



