ম্যাচের ১০ মিনিটেই সুইজারল্যান্ডকে এগিয়ে দেন ব্রিল এম্বোলো। তবে গোলটির মূল কারিগর ছিলেন জোহান মানজাম্বি। মাঝমাঠ থেকে একক প্রচেষ্টায় বল এগিয়ে নিয়ে বক্সে প্রবেশ করে নিখুঁত পাস বাড়ান তিনি। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে সহজ ফিনিশিংয়ে গোল করেন এম্বোলো।
দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হওয়ার মাত্র ৪৮ সেকেন্ড পর ব্যবধান দ্বিগুণ করে সুইজারল্যান্ড। আলজেরিয়ার রক্ষণ বল ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হলে বক্সের সামনে বল পেয়ে ড্যান এনডোয়ে দুর্দান্ত শটে দূরের কোণ লক্ষ্য করে জালে বল জড়ান।
ম্যাচের ৮১ মিনিটে আরও একটি গোলের সুযোগ পেয়েও তা কাজে লাগাতে পারেনি সুইজারল্যান্ড। দূরের পোস্টে থাকা রেইডার ফাঁকা জালে বল পাঠানোর পরিবর্তে গোড়ালির শটে গোলরক্ষকের হাতেই বল তুলে দেন।
এই জয়ের মাধ্যমে ১৯৩৮ সালের পর প্রথমবার বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ম্যাচ জিতল সুইজারল্যান্ড। ওই আসরে তারা শেষ ষোলো পেরিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছিল। সেবার জার্মানিকে হারিয়ে শেষ আটে জায়গা করলেও হাঙ্গেরির কাছে ২-০ গোলে হেরে বিদায় নেয়।
কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে শেষ ষোলোতে সুইজারল্যান্ডের প্রতিপক্ষ হবে কলম্বিয়া অথবা ঘানা। এই দুই দল শেষ ৩২-এর ম্যাচে আজ মুখোমুখি হবে।