জাপানি স্টার্টআপ সাকানা এআই সম্প্রতি ‘ফুগু’ নামে একটি নতুন এআই মডেল উন্মোচন করেছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, সক্ষমতার দিক থেকে এটি অ্যানথ্রপিকের উন্নত মডেলগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পারবে।
সাকানা এআই জানিয়েছে, ফুগু একাধিক এআই সিস্টেম একসঙ্গে পরিচালনা করতে সক্ষম। ফলে ব্যবহারকারীরা একটি নির্দিষ্ট মডেলের ওপর নির্ভর না করে বিভিন্ন এআই প্রযুক্তি সমন্বিতভাবে ব্যবহার করতে পারবেন।
প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য, জাপানের সরকারি ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের চাহিদা বিবেচনায় এই মডেল তৈরি করা হয়েছে। তবে এটি অ্যানথ্রপিকের বিকল্প নয়, বরং স্বাধীন প্রযুক্তিগত সক্ষমতার অংশ হিসেবে উন্নয়ন করা হয়েছে।
অন্যদিকে, চীনের সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ৩৬০ নতুন দুটি এআই টুল উন্মোচন করেছে। এর মধ্যে ‘তুলংফেং’ সফটওয়্যারের দুর্বলতা শনাক্ত করতে সক্ষম, আর ‘ইতিয়ানঝেন’ তৈরি করা হয়েছে সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা আরও শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এই প্রযুক্তিগুলো উন্নত সাইবার সুরক্ষা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এদিকে অ্যানথ্রপিকের উন্নত এআই মডেলের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ আরোপের পর বিষয়টি নিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি দেশের প্রযুক্তির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা ভবিষ্যতে ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই অনেক দেশ এখন নিজস্ব এআই প্রযুক্তি উন্নয়নে গুরুত্ব দিচ্ছে এবং এশিয়ার প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো সেই সুযোগ কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে।
তবে বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন এআই প্রযুক্তি এখনো বৈশ্বিক বাজারে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি কেবল এটিই ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, আগামী দিনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বাজারে প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হবে।