প্রতিবেদন অনুযায়ী, রেমিট্যান্স না পাওয়া ব্যাংকগুলোর মধ্যে রয়েছে একটি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংক, একটি বিশেষায়িত ব্যাংক, দুটি বেসরকারি ব্যাংক এবং চারটি বিদেশি ব্যাংক।
রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (বিডিবিএল), বিশেষায়িত খাতের রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব), বেসরকারি খাতের পদ্মা ব্যাংক পিএলসি ও আইসিবি ইসলামী ব্যাংকে জুন মাসে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি।
বিদেশি ব্যাংকগুলোর মধ্যে আল ফালাহ ব্যাংক, হাবিব ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান এবং স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়াতেও জুনে কোনো প্রবাসী আয় আসেনি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, জুনে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫১ কোটি ৫১ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৪৪ কোটি ১৬ লাখ ৮০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ১৮৫ কোটি ৩৫ লাখ ৮০ হাজার ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৬৬ লাখ ১০ হাজার ডলার।
এর আগে মে মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার, যা দেশের ইতিহাসে এক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়। এপ্রিলে এসেছিল ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ ডলার এবং মার্চে রেকর্ড ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স আসে।
এছাড়া ফেব্রুয়ারিতে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার, জানুয়ারিতে ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার, ডিসেম্বরে ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার এবং নভেম্বরে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার প্রবাসী আয় দেশে আসে।
অক্টোবরে রেমিট্যান্স ছিল ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার ডলার, সেপ্টেম্বরে ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার ডলার, আগস্টে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার ডলার এবং জুলাইয়ে ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে মোট ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা দেশের ইতিহাসে কোনো এক অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের নতুন রেকর্ড।