সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গভর্নেন্স ইনোভেশন ইউনিট (জিআইইউ) ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত পাঁচ দিনব্যাপী ‘Strategic Use of AI Tools & Cyber Security for PMO Officials’ প্রশিক্ষণের সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
জনপ্রশাসন উপদেষ্টা বলেন, এআই প্রশাসনিক জটিলতা কমানোর পাশাপাশি সিদ্ধান্ত গ্রহণ, তথ্য বিশ্লেষণ ও নাগরিক সেবার মান উন্নত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। প্রযুক্তির লক্ষ্য শুধু ব্যবহার নয়, মানুষের জীবনকে আরও সহজ করা।
তিনি বলেন, এআই মানুষের বিকল্প নয়, বরং মানুষের দক্ষতা ও সক্ষমতা বাড়ানোর শক্তিশালী হাতিয়ার। ভবিষ্যতে মানবিক দক্ষতা ও এআইয়ের সক্ষমতাকে সমন্বয় করে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
উপদেষ্টা আরও বলেন, এআইয়ের কারণে কিছু প্রচলিত কাজের ধরন পরিবর্তিত হতে পারে। তাই সরকারি কর্মকর্তাদের নতুন দক্ষতায় প্রশিক্ষিত করা জরুরি। বিশেষ করে এআই, ডিজিটাল দক্ষতা ও তথ্য বিশ্লেষণের সক্ষমতা বাড়াতে হবে।
অনুষ্ঠানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা জানান, পর্যায়ক্রমে সব মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের এ প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে। এআইয়ের কার্যকর ব্যবহারের মাধ্যমে সরকারি কাজের সময় ও শ্রম কমানো সম্ভব হবে। পাশাপাশি এআই বিষয়ে শিগগিরই একটি নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠান শেষে প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।




