দলের অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার ক্রিশ্চিয়ান ‘কুটি’ রোমেরোও স্বীকার করেছেন, সাম্প্রতিক সময়ে গোল হজমের সংখ্যা তাদের জন্য অস্বস্তিকর।
সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আমরা ভালো খেলছি, তবে কিছু জায়গায় এখনও উন্নতির প্রয়োজন রয়েছে। শেষ দুই ম্যাচে আমরা চারটি গোল হজম করেছি। এত গোল খাওয়া আমাদের জন্য বিব্রতকর। তারপরও আমরা দলের জন্য সর্বোচ্চটা দিতে এবং কোচের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
গ্রুপ পর্বে আলজেরিয়া ও অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ক্লিন শিট ধরে রাখলেও জর্ডানের বিপক্ষে একটি গোল হজম করেছিল আর্জেন্টিনা। তবে নকআউট পর্বে রক্ষণভাগে দেখা দেয় অস্থিরতা। টানা দুটি ম্যাচেই ৩-২ ব্যবধানে জয় পেলেও দুই ম্যাচে চার গোল হজম করতে হয়েছে তাদের।
কেপ ভার্দের বিপক্ষে প্রথম নকআউট ম্যাচে দুইবার এগিয়ে গিয়েও সমতায় ফিরেছিল প্রতিপক্ষ। শেষ ষোলোতে মিশরের বিপক্ষেও দুই গোল হজমের পর লড়াই করে জয় নিশ্চিত করতে হয় আর্জেন্টিনাকে।
২০২২ বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব ও শেষ ষোলো মিলিয়ে মাত্র তিনটি গোল হজম করা আর্জেন্টিনার তুলনায় এবারের রক্ষণভাগ অনেকটাই নড়বড়ে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
মিশরের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্টিনেজও রক্ষণভাগের ভুল নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা কখনোই গোল খেতে চাই না। অবশ্যই আমাদের আরও বেশি মনোযোগী হতে হবে। আমি বিশ্বাস করি, মনোযোগ বাড়াতে পারলে এমন গোল এড়ানো সম্ভব। এটা ফুটবলেরই অংশ। তবে ভালো দিক হলো, এসব ভুল এখনই হচ্ছে। এতে আমরা আরও সতর্ক হতে পারব এবং ভবিষ্যতে যেন এমন পরিস্থিতি না আসে, সেদিকে নজর দেব।’