সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে উপদেষ্টার কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাতে তারা দুই দেশের সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময় করেন।
বৈঠকে ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী দেশ। দুই দেশের দীর্ঘ সীমান্তে হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনা, বাণিজ্য ঘাটতি কমানো এবং গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সঙ্গে নয়, জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক আরও জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভারতীয় হাইকমিশনারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।
হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী দুই দেশের অভিন্ন সংস্কৃতি ও ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি বাংলাদেশি ইলিশের চাহিদার কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশের কর্মকর্তাদের ভারতে প্রশিক্ষণে পাঠানোর বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
দুই দেশের জনপ্রশাসনের মধ্যে প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রম পুনরায় চালুর ওপরও গুরুত্ব দেন ভারতীয় হাইকমিশনার। জনগণের স্বার্থে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।




