বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এ অভিযোগ করেন তিনি।
ফেসবুক পোস্টে মাহমুদা মিতু লেখেন, “শহীদ পরিবারের সঙ্গে প্রোগ্রাম করে ফেরার পথে সিলেটের গোলাপগঞ্জে আবারও ভয়াবহ হামলা করলো বিএনপির সন্ত্রাসীরা। গাড়িতে আমি, সারজিস এবং অন্যান্য কয়েকজন ছিলাম।”
তিনি আরও লেখেন, “এরা আসলে মেরে ফেলার জন্য চেষ্টা করছে। আমাদের গাড়ির ডান পাশের ও পেছনের গ্লাসগুলো গুড়ো গুড়ো করে ফেলেছে। পুলিশ নির্বিকার হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। তারেক রহমানের কাছে জবাব চাওয়া যাবে না, তাতে আবার নাকি বেয়াদবি হবে।”
পোস্টের সঙ্গে তিনি দুটি ছবিও প্রকাশ করেন। ছবিতে একটি গাড়ির পেছনের কাচ ভাঙা অবস্থায় দেখা যায়।
এর আগে মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) হবিগঞ্জে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমের গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ ওঠে।
এনসিপির দাবি, সেদিন সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ শহরের স্টাফ কোয়ার্টার এলাকায় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা হামলা চালান। হামলার সময় সারজিস আলম নিকটস্থ সোনালী ব্যাংকের একটি কার্যালয়ে আশ্রয় নেন এবং প্রায় এক ঘণ্টা সেখানে অবস্থান করেন।
তবে গোলাপগঞ্জের সর্বশেষ ঘটনার বিষয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।