সভায় খাদ্যশস্য সংগ্রহ, মজুত ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনা, সরকারি খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি, খাদ্য নিরাপত্তা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে মন্ত্রীকে অবহিত করা হয়। এ সময় মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম ও অগ্রগতি নিয়ে একটি পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপন করা হয়।
মতবিনিময় সভায় খাদ্যমন্ত্রী বলেন, জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সরকারি খাদ্য কর্মসূচিগুলো আরও কার্যকর, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব করতে হবে। খাদ্য ব্যবস্থাপনার প্রতিটি পর্যায়ে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, দক্ষতা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
তিনি বলেন, খাদ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ, পরিবহন ও বিতরণের সুফল যেন প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে, তা নিশ্চিত করতে হবে। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনার আহ্বান জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আফরোজা খানম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভিশন ও সরকারের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে খাদ্য মন্ত্রণালয়কে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। এ জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।
সভায় খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী, খাদ্য সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা, খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ খাদ্য মন্ত্রণালয়, খাদ্য অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।