সোমবার (২৪ আগস্ট) সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ঐতিহাসিক স্থাপনা ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনকে কেন্দ্র করে পর্যটন উন্নয়ন বিষয়ে আয়োজিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
সভায় সংস্কৃতিমন্ত্রী বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের নবনিযুক্ত মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এ সময় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদুর রহমান এবং সচিব কানিজ মওলা উপস্থিত ছিলেন।
নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, দেশের হাজার বছরের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে ব্র্যান্ডিং করে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরতে হবে। ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনাগুলোকে পর্যটকবান্ধব করে গড়ে তুলতে পারলে এ খাতে বিপুল সম্ভাবনা তৈরি হবে।
তিনি বলেন, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, ভিয়েতনাম ও মালয়েশিয়ার মতো দেশ পর্যটনকে কাজে লাগিয়ে অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে গেছে। বাংলাদেশের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে যথাযথভাবে প্রচার ও প্রসার করা গেলে দেশও এ খাত থেকে বড় ধরনের অর্থনৈতিক সুবিধা পেতে পারে।
পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, দুই মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করে পর্যটকদের আকৃষ্ট করার মতো ঐতিহ্যবাহী ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা চিহ্নিত করা প্রয়োজন। এ জন্য পারস্পরিক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর এবং যৌথ কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেন তিনি।
সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, বর্তমানে পর্যটন খাত থেকে জিডিপিতে প্রবৃদ্ধি ২ থেকে ৩ শতাংশ হলেও দুই মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে কাজ করলে তা ৭ থেকে ৮ শতাংশে উন্নীত করা সম্ভব।
সভায় ‘Unlocking Bangladesh’s Creative Economy Through Cultural Tourism’ শীর্ষক একটি পাওয়ারপয়েন্ট উপস্থাপন করা হয়। এতে বলা হয়, বিশ্বের প্রায় ৪০ শতাংশ পর্যটক সাংস্কৃতিক পর্যটনে আগ্রহী। তাই বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলোকে পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
সভায় সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ উভয় মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




