সোমবার (২৪ আগস্ট) সকালে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেনের সৌজন্য সাক্ষাতে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়। মন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমও উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক অংশীদারিত্ব এবং স্থানীয় সরকার ও উন্নয়ন খাতে সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।
মন্ত্রী আবদুল মঈন খান বলেন, পানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং কৃষি কোল্ড স্টোরেজের মতো ক্ষেত্রে দুই দেশের অভিজ্ঞতা বিনিময় ও সহযোগিতামূলক কর্মসূচি নেওয়া হলে বাংলাদেশের উন্নয়ন কার্যক্রম আরও কার্যকর ও টেকসই হবে।
তিনি বলেন, ‘আমরা জনগণের সরকার। আমরা জনগণের ক্ষমতায় বিশ্বাস করি।’ দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিকে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নগর ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ সুরক্ষায় কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার বলেও জানান স্থানীয় সরকারমন্ত্রী।
সাক্ষাতের শুরুতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন নতুন দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম সাধারণ মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি এ খাতে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, প্রধানমন্ত্রীও বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। এ খাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
বৈঠকে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তিতে স্থানীয় সরকার ও উন্নয়ন খাতে সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরির বিষয়ে উভয় পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করে।
সাক্ষাতে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব রফিকুল ই মোহামেদসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




