সোমবার (২৪ আগস্ট) সকালে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণবিষয়ক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশ দেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সংক্রমণের চিকিৎসায় শুধু অ্যান্টিবায়োটিকের ওপর নির্ভর করলে হবে না। বরং সংক্রমণ প্রতিরোধের ওপর আরও বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।
তিনি বলেন, বড় ধরনের রোগ ও সংক্রমণ প্রতিরোধে ধারাবাহিকভাবে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। পাশাপাশি সংক্রমণ প্রতিরোধে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, সংক্রমণ প্রতিরোধে ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার কোনো বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে শুধু সরকারি হাসপাতাল নয়, বেসরকারি হাসপাতালগুলোকেও কার্যকর ব্যবস্থার আওতায় আনতে হবে।
সেমিনারে সংক্রমণ প্রতিরোধ বিষয়ে বৈজ্ঞানিক উপস্থাপনা করেন সিংহেলথের সংক্রমণ প্রতিরোধ বিভাগের পরিচালক ও সহযোগী অধ্যাপক লিং ময় লিন।
ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারির পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নাসির উদ্দীনের সভাপতিত্বে সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।




