সংগঠনটির এপ্রিল-জুন ২০২৬ প্রান্তিকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সদ্যবিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৪ দশমিক ১৪ শতাংশ হলেও তা দেশের সম্ভাবনার তুলনায় কম। জুনে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে ৯ দশমিক ১৬ শতাংশে নামলেও মানুষের ওপর মূল্যস্ফীতির চাপ এখনো রয়েছে।
তবে বৈদেশিক খাতে ইতিবাচক চিত্র দেখা গেছে। এপ্রিল-জুন সময়ে দেশে ৯৩৮ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে এবং জুন শেষে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৭ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলার।
এমসিসিআইয়ের মতে, অর্থনীতির পুনরুদ্ধার টেকসই করতে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, ব্যাংক খাতের দুর্বলতা কাটানো, বেসরকারি বিনিয়োগ ও ঋণপ্রবাহ বাড়ানো এবং রপ্তানি প্রবৃদ্ধি জোরদার করা জরুরি।


