বৃহস্পতিবার সকালে সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান এবং প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
ইয়াও ওয়েন বলেন, বাংলাদেশের জ্বালানি ঘাটতি মোকাবিলায় চীন তার প্রযুক্তিগত সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে সহযোগিতা করতে আগ্রহী। বিশেষ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে দুই দেশের মধ্যে আরও সহযোগিতার সুযোগ রয়েছে।
চীনের রাষ্ট্রদূত বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক চীন সফরের পর দুই দেশের সহযোগিতার ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে। সফরের মাধ্যমে ‘নতুন যুগে একটি অভিন্ন ভবিষ্যতের জন্য চীন-বাংলাদেশ সম্প্রদায়’ গড়ে তোলার বিষয়ে দুই দেশ একমত হয়েছে।
তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রীর সফরের পর গত দুই মাসে অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। চীনের সহায়তায় বাংলাদেশের প্রথম বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে এবং তিস্তা নদী প্রকল্পের সম্ভাব্যতা সমীক্ষার কাজ চলছে।
এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উইমেন রেসিডেন্সিয়াল হল ও একটি হাসপাতাল নির্মাণের কাজও এগিয়ে চলছে বলে জানান তিনি।
দুই দেশের যোগাযোগ আরও বাড়াতে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইটের সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়েও আলোচনা ও কাজ চলছে বলে জানান ইয়াও ওয়েন।