গত ৯ আগস্টের ওই অগ্নিকাণ্ডে ১৬ বাংলাদেশি কর্মী নিহত হন। সৌদি কর্তৃপক্ষ ফিঙ্গারপ্রিন্ট পরীক্ষার মাধ্যমে ৯ জনের পরিচয় শনাক্ত করে। নিহতদের মধ্যে নওগাঁর আত্রাই উপজেলার ৭ জন, নাটোরের নলডাঙ্গার একজন এবং রাজশাহীর বাগমারার একজন রয়েছেন।
বিমানবন্দরে মরদেহগুলো গ্রহণ করেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। পরে তারা সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী জানান, নিহতদের প্রত্যেক পরিবারের জন্য লাশ পরিবহন ও দাফন খরচ বাবদ ৩৫ হাজার এবং এককালীন আর্থিক অনুদান হিসেবে ৩ লাখ টাকা দেওয়া হবে। অর্থাৎ প্রতিটি পরিবার মোট ৩ লাখ ৩৫ হাজার টাকা সহায়তা পাবে। ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের অ্যাম্বুলেন্সে মরদেহগুলো নিজ নিজ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থাও করা হয়েছে।
অপর সাতজনের পরিচয় শনাক্তে ডিএনএ পরীক্ষার প্রক্রিয়া চলছে। স্বজনদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে এবং দ্রুত তাদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ চলছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।



